অনলাইনে পাসপোর্ট আবেদন করতে কি কি লাগে / নতুন নিয়মে ২০২৬

পাসপোর্ট করতে চান তাহলে আপনার জন্য রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। অনেকে মনে করতে পারেন পাসপোর্ট করতে অনেক ঝামেলা। অনেক কাগজপত্র লাগে আবার সত্যায়নও করতে হয় কিন্তু পরিস্থিতি অনেক বদলে গেছে।

 ই পাসপোর্ট এর আবেদন প্রক্রিয়া আগের চেয়ে অনেক সহজ ও দ্রুত। সবচেয়ে বড় কথা হল কোন কাগজপত্রের শত্যায়ন করার দরকার নেই ‌। এমন কি আবেদন ফরমে আলাদা করে ছবিও লাগাতে হয় না।

সূচী পত্রঃ  অনলাইনে পাসপোর্ট আবেদন করতে কি কি লাগে


 তাহলে পাসপোর্ট করতে কি কি লাগবে


যাদের বয়স ১৮ এর নিচে তাদের লাগবে জন্ম নিবন্ধনের ইংরেজি কপি, পিতা ও মাতা জাতীয় পরিচয় পত্র, ১৮ থেকে ২০ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্মনিবন্ধন থাকলেই হবে আর ২০ বছরের বেশি বয়সের জন্য প্রয়োজন হবে শুধু এই জাতীয় পরিচয়।

আপনার যদি আগে পাসপোর্ট থেকে থাকে 


আপনার যদি আগে পাসপোর্ট থেকে থাকে তাহলে সে পাসপোর্ট এর মূল কপি ও ফটোকপি সঙ্গে রাখতে হবে। এই পাসপোর্ট এর ফ্রিজ আমার রশিদ ও প্রয়োজন হবে। সরকারি চাকরিজীবী তাদের জন্য রয়েছে অতিরিক শর্ত। সেক্ষেত্রে জমা দিতে হবে JO ও NOC বা প্রত্যয়ন পত্র। বিবাহিত হলে প্রয়োজন হতেও পারে বিবাহের সনদ  বা নিকা নামা।যদি কোন তথ্য সংশোধনের প্রয়োজন হয় । তাহলে শিক্ষাগত সনদসহ সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে।


পাসপোর্ট এর আবেদন প্রক্রিয়া 


প্রথমে পাসপোর্ট এর www.epassport.gov.bd ওয়েবসাইটের প্রবেশ করতে হবে এবং সেখানে একটি একাউন্ট খুলে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। নাম ,জন্মতারিখ, পিতা মাতার নাম এবং জন্মস্থান ও জাতীয় পরিচয় পত্রের সকল তথ্য সঠিকভাবে দিতে হবে। কারণে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরবর্তীতে ভুল হলে সঠিক করার কোন সুযোগ থাকেনা।
এরমধ্যে রয়েছে নাম জন্ম তারিখ পিতা মাতার নাম জন্মস্থান ও NID নম্বর। আবেদন করার সময় ৪৮ বা ৬৪ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট বেঁচে নিতে পারেন। এছাড়াও ০৫ বছর বা ১০ বছর মেয়াদ করা যাবে। তবে ১৮ বছরের নিচে ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য পাঁচ বছরের মেয়াদি বেশি প্রযোজ্য।


পাসপোর্ট আবেদন সম্পন্ন হওয়ার পর 


পাসপোর্ট এর আবেদন সম্পন্ন হওয়ার পরে জমা দিতে হবে ফ্রি অনলাইনে অনলাইনে বা ব্যাংকের মাধ্যমে ফ্রি পরিশোধ করা যায়। এরপর নির্ধারণ করতে হবে পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার তারিখ। নির্ধারিত দিনে সব মূল কাগজপত্র ফটোকপি আবেদন পত্র ও ফি জমা রশিদ যেতে হবে পাসপোর্ট অফিসে‌। সেখানে তোলা হবে আপনার ডিজিটাল ছবি ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট এছাড়াও তোলা হবে আইরিস  স্ক্যান। অর্থাৎ বাইরে কোন কিছু প্রয়োজন নেই সবকিছু করা হবে পাসপোর্ট অফিসে। পাসপোর্ট অফিসে বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়া ।সবকিছু ঠিক থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাতে পাবেন আপনার এই পাসপোর্ট। 


শেষ বক্তব্য ঃ 

তাই পাসপোর্ট করার  পরিকল্পনা থাকলে এখনই সব কাগজপত্র গুছিয়ে আবেদন করতে পারেন। আবেদনের পুরো প্রক্রিয়াটি আগে থেকে অনেক সহজ হয়েছে। এবং অনেক দ্রুত কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ব্লগ বাজারে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url