কিডনি ভালো রাখার খাবারের তালিকা

মানবদেহে কিডনি ও গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। বর্তমান সময়ের মাত্রা ডিরেক্ট ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কেমিক্যালযুক্ত ভেজাল খাবার ও পরিবেশ দূষণের কারণে দেশে কিডনি রোগের সংখ্যা উদ্বেগ জনক হারে বাড়ছে।

কিডনি ভালো রাখতে দৈনন্দিন খাবারের খাদ্য তালিকা পরিবর্তন আনতে হবে। খাবারের রাখতে হবে সবুজ শাকসবজি, গোটা শস্য, ফল চরবিহীন প্রোটিন, সোডিয়াম জাতীয় খাবার। এতে ভালো থাকবে আপনার কিডনি । আজকে এমন কয়েকটি খাওয়ার সম্পর্কে জানাবো যেগুলো কিডনিকে ভালো রাখতে অনেকটাই সহায়ক। 

সূচি পত্রঃ কিডনি ভালো রাখার খাবারের তালিকা

স্ট্রবেরি 

স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি ইত্যাদি খেলে কিডনি ভালো থাকে। এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্থোসায়াইন, এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে।

মাছ 

কেডি ভালো রাখতে ভরসা রাখুন মাছের ওপর ‌। কারণ ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত মাছ খেলে কিডনি সুস্থ থাকে। মাছ প্রচুর পরিমাণে খেলে আপনার কিডনিতে পাথর হবে না এতে ডায়াবেটিসে ঝুঁকি কমবে।

শসা 

কিডনি ভালো রাখতে শরীরের সঠিক রাখা খুব দরকার। এজন্য শরীর সচিবের বা পানি পুনরায় শস্য খুব কার্যকর একটি খাবার। শসা ফল ও সবজির দুভাবে খাওয়া যায়। আর এর ৯৫ ভাগ পানি। তাই বুঝা যায় এসব যে শরীরকে খুবই সহজে সজীব রাখতে পারে। শসা এই অতিরিক্ত প্রাণের শরীর থেকে ইউরিক এসিড ও ক্রিয়েটিনিনের মতো বর্জ্য বের করে দেয়।

আরো  পড়ুনঃ ফ্যাটি লিভারের জন্য ৭ দিনের খাদ্য তালিকা

এতে খুব কম ক্যালরি থাকে ফলে বেশি খেলে শরীরের মেদ জমার ভয় নেই। আই কিডনির শ্বশুররাত্রে শসা যুক্ত পানীয় সোশ্যাল সালাদ অর্থ যতভাবে পারা যায় যুক্ত খাবার খেতে হবে।

লেবু 

কিডনির স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে লেবু থেকে তৈরির লেবু পানি খুবই উপকারী পানীয়। লেবুতে উঁচু মাত্রার সিভিটামিন ও সাইট্রিক এসিড থাকে। এ দুটি কিডনিতে পাথর তৈরি হওয়ার আশঙ্কা কমিয়ে দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে দিনে দুটি লেবু চিপা পানে বা আধা কাপ নেব পানে প্রসাবে সাইটেট আয়নের মাত্রা বাড়ায়, যা কিডনিতে পাথর তৈরিতে বাধা দেয়। 


খাবারের লেবু চিপে নিয়ে অথবা পানি বা চায়ের সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে খেলে এসব সুবিধা পাওয়া সম্ভব। প্রতিদিন এই লেবু পানি বা লেবু চা খেলে শরীরের ইউরিক এসিডের মাত্রা কমায় যা কিডনির প্রদাহ কমে দেয়।

পার্সলি

ধনে পাতার মতো দেখতে পাসনি খুবই দরকারী একটি ঔষধি গাছ। কিডনির কার্যকর রাখতে একটু বেশ কার্যকর। পার্সলি পাতার এন্ট্রি অক্সিডেটিপ গুন আছে, অক্সিডেটিভ চাপ কমাতে সাহায্য করে। অনেক সময় শরীর ক্ষতিকর রিঅ্যাক্টিভ অক্সিজেন বা ফ্রি রেডিক্যাল বা মুক্ত আয়ন তৈরি হয়। এসব শরীরের কোষ কে ধ্বংস করে। 

আর পড়ুনঃ  সকালে অভ্যাস জীবন বদলে  দেবে ১০টি  ২০২৬

এটাকে অক্সাইডেটিভ স্টেস বা চাপ বলে। এই অক্সিডে টিপ চাপ কিডনির ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। পার্সলি পাতা ফ্ল্যাভোনয়েড জাতীয় তিন ধরনের উদ্ভিদ  আছে। এসব হলো এপি জেনারেলিন ও কোয়ারসেটিন। এর সময় শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহ রোগী পদার্থ হিসেবে পরিচিতি।

বাঁধাকপি 

বাঁধাকপিতে অনেক ধরনের পুষ্টি আছে। এটি কোম দামে সহজে পাওয়া যায়। রান্না করে বা সালাদ হিসেবে খেতে পারেন। 

লাল ক্যাপসিকাম 

এইসবজিতে ভিটামিন ভালো পুষ্টি আছে। শালা তো রান্না করে খাওয়া যায়। 

বলুবেরি বা দেশী বেরী জাতের ফল 

এ ধরনের ফলে ভালো পুষ্টি থাকে। যদি সহজে পাওয়া যায় তাহলে খাবার তালিকাই রাখতে পারেন।

ডিমের সাদা অংশ 

ডিমের সাদা অংশ ভালো মনের প্রোটিন দেয়। অনেকের জন্য এটি ভালো খাবার হতে পারে। তবে কিডনির রোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাবে। 

শেষ বক্তব্য ঃ

কিডনি ভালো রাখতে খুবই কঠিন কিছু করতে হয় না। প্রতিদিন স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান করা, নিয়ম মত ব্যায়াম করা এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার কম খাওয়ার অভ্যাস কিডনিতে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। কবে যাদের আগে থেকে কিডনি রোগ আছে তারা নিজের মতো খানদানকা ঠিক না করে অবশ্যই চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিবেন।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ব্লগ বাজারে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url