মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং করা সম্পূর্ণ
আপনি যদি মোবাইল দিয়ে ভালো এডিটিং শিখতে চান তাহলে প্রথমে আপনাকে এডিট বিষয় অথবা এডিটিং দিয়ে টুলস গুলো রয়েছে এগুলো ব্যবহার কিভাবে করতে হয়। এবং কোথায় কোনটা কাজে লাগাতে হয় এগুলো আপনাকে ভালোভাবে শিখতে হবে। মনে রাখবেন আপনি যত টুলস এর ব্যবহার জানবেন সেটাও হোক ফটো এডিটিং অথবা ভিডিও এডিটিং।
কোথায় কোনটা কোন সময় কোন জায়গায় কোন টুলস টা ব্যবহার করা লাগবে এগুলো যখন আপনি প্রফেশনাল মানে শিখতে পারবেন তখনই আপনি একজন ভালো এডিটর হয়ে উঠবেন। এডিটিং এর সবচেয়ে বড় বিষয় হল টুলস এর ব্যবহার।
সূচি পত্রঃ মোবাইল ফোন দিয়ে ভিডিও এডিটিং করা সম্ভব গাইড
- ভিডিও এডিটিং কি
- ভিডিও এডিটিং এর টুলস এর ব্যবহার
- ভালো একটি ভিডিও এডিটিং অ্যাপস বেছে নিন
- ভিডিও কাটিং
- ভিডিও মিউজিক যোগ করুন
- টেক্সট ও সাবটাইটেল ব্যবহার করুন
- ভিডিওর রং ঠিক করুন
- সঠিক রেজুলেশন ভিডিও এক্সপোর্ট করুন
- নিয়মিত অনুশীলন করুন
ভিডিও এডিটিং কি
এবার চলুন কিভাবে এডিটিং শুরু করবেন। আপনি যদি টুলস এর ব্যবহার সম্পর্কে কোন ধারণা না থাকে তাহলে প্রথমে আপনাকে ইউটিউবে গিয়ে সার্চ দিয়ে ভিডিও এডিটিং লিখে সার্চ দিলে আপনি বিভিন্ন ভিডিও পেয়ে যাবেন। ওখানে আপনি আস্তে আস্তে ভিডিও গুলো দেখলে আপনি টুলস এর ব্যবহার আস্তে আস্তে জেনে যাবেন।আপনি টুলস এর ব্যবহার জেনে গেলে আপনি যেকোন ভিডিও হোক সেটা হোক শর্ট ভিডিও অথবা লং ভিডিও আপনি সহজেই এডিট করতে পারবেন।
এবং আপনি মনে রাখবেন যদি প্রফেশনাল মানে আপনি ভিডিও এডিট শিখতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই কম্পিউটার শিখতে হবে। আর যদি আপনি বলেন যে না আমি শুরু থেকে আস্তে আস্তে শিখব তাহলে আপনি মোবাইল দিয়ে শুরু করতে পারবেন। কম্পিউটার ব্যবহার করতে হবে এজন্য কারণ আপনার মোবাইল স্কিন ছোট তাই এডিটিং এর সময় যে টুলস গুলো ব্যবহার করা লাগে সব টুজ মোবাইলে সাপোর্ট করে না।
অথবা সু করে না তাই কম্পিউটারের স্ক্রিন বড় থাকার কারণে ওখানে আপনি প্রফেশনালের ভিডিও এডিটিং শিখতে পারবেন কোন উপকার ঝামেলা ছাড়াই।
ভিডিও এডিটিং এর টুলস এর ব্যবহার
এখন চলুন জেনে নেওয়া যাক মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং করার জন্য কোন অ্যাপস দরকার এবং সবথেকে ভালো, আমি মনে করি ব্যক্তিগতভাবে অথবা আমার মতে মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং করার জন্য Inshot নামের এই অ্যাপসটি সবথেকে সেরা। এই অ্যাপটি মূলত তৈরি করা হয়েছে আপনাকে শুরু থেকে এডভান্স লেভেল এই ভিডিও এডিটিং করার জন্য।
আরো পড়ুনঃ কম বাজেটে সেরা স্মার্টফোন সম্পূর্ণ গাইড ২০২৬
আপনি যদি নতুন হয়ে থাকেন তাহলে আপনি এখান থেকে শিখতে পারবেন এবং ভিডিও এডিটিং করতে পারবেন অথবা আপনার যদি ধারণা থাক থাকে তাহলে আপনি আস্তে আস্তে এডভান্স লেভেল পর্যন্ত এখান থেকে ভিডিও এডিটিং করতে পারবেন। ভিডিও এডিটিং করার জন্য এখানে সব ধরনের টুলস রয়েছে তবে, প্লে স্টোরে আপনি আরো অনেক ধরনের এডিটিং এর অ্যাপস পাবেন তবে আমার মতে সবথেকে মোস্ট পপুলার এই অ্যাপসটি কারণ এখানে সব ধরনের টুলস রয়েছে।
এটার পাশাপাশি আপনি চাইলে capcut ও ইউজ করতে পারেন। capcut & Inshot এই দুটো অ্যাপস পাই সেম কোন পার্থক্য নেই। আপনি চাইলে দুটো অ্যাপস ব্যবহার করতে পারেন অথবা শুধু ইনশট দিয়ে ভিডিও এডিটিং শুরু করে দিতে পারেন।
ভালো একটি ভিডিও এডিটিং অ্যাপস বেছে নিন
প্রথমে এমন একটি অ্যাপস ব্যবহার করুন যে নতুনদের জন্য সহজ। বর্তমানে cap cut , VN editor, in short, kinemaster, সবচেয়ে জনপ্রিয়। এইসব অ্যাপে ভিডিও কাটিং ট্রানজেকশন মিউজিক টেস্ট ইফেক্ট এবং কালার এডিটিং এর মত প্রয়োজনীয় সব ফিচার রয়েছে। সূর্য একটি এপস নিয়ে নিয়মিত অনুসরণ করুন একসঙ্গে অনেক আব্ব ব্যবহার করলে স্বীকার কঠিন হয়ে যেতে পারে।
ভিডিও কাটিং
ভিডিও এডিটরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল অপ্রয়োজনীয় অংশ কেটে ফেলা। ভিডিও শুরু বা শেষে যদি অযথা সময় নষ্ট হয় তাহলে দর্শক দ্রুত ভিডিও বন্ধ করে দিতে পারে। তাই প্রথমে সেগুন কিভাবে trim,spit& delete করতে হয়। এই তিনটি বিষয় ভালোভাবে শিখতে পারলে আপনার ভিডিও অনেক বেশি পরিষ্কার ও সুন্দর হবে।
ভিডিও মিউজিক যোগ করুন
ভালো ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক এবং সাধারন ভিডিও থেকে আকর্ষণ করে তোলে। তবে এমন গান নির্বাচন করুন যা ভিডিওর বিষয়েসঙ্গে মানানসই হয়। মিউজিকের শব্দে যেন ভিডিওর মূল কন্ঠকে ঢেকে না ফেলে। প্রয়োজনে মিউজিকের ভলিউম কমিয়ে দিন যাতে দর্শক পরিষ্কারভাবে কথা শুনতে পারে।
আরো পড়ুনঃ বাংলাদেশে ড্রপশিপিং বিজনেস শুরু করার সম্পূর্ণ গাইড
টেক্সট ও সাবটাইটেল ব্যবহার করুন
ভিডিওতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেখানোর জন্য টেক্সট ব্যবহার করুন। অনেক দর্শক শব্দ ছাড়া ভিডিও দেখেন তাই সাবটাইটেল যোগ করলে ভিডিও আর সহজে বোঝা যায়। টেস্ট খুব বেশি রঙিন বা জটিল না করে সহজে পরিষ্কার রাখুন।
ভিডিওর রং ঠিক করুন
আলো আলো না থাকলে ভিডিও কিছুটা স্লান দেখাতে পারে। তাই ব্রাইটনেস কনট্রাস্ট সলিউশন এবং সার্কনেস সামান্য ঠিক করে নিন। খুব বেশি এডিট করলে ভিডিও অস্বাভাবিক লাগতে পারে। তাই সব সময় স্বাভাবিক রং বজায় রাখার চেষ্টা করুন।
সঠিক রেজুলেশন ভিডিও এক্সপোর্ট করুন
ভিডিও এডিট শেষ হলে 1080p(HD) রেজুলেশন ভিডিও এক্সবুক করুন। এতে ভিডিওর মান ভালো থাকবে এবং youtube বা ফেসবুকে আপলোড করলে পরিষ্কার দেখা যাবে। যদি আপনার ফোন কল শক্তিশালী হয় তাহলে 720p ব্যবহার করতে পারেন।
নিয়মিত অনুশীলন করুন
ভিডিও এডিটিং একদিনের শেখা যায় না প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট অনুসরণ করুন। নতুন নতুন ভিডিও তৈরি করুন এবং আগের ভিডিওটি ভুলগুলো ঠিক করার চেষ্টা করুন। এছাড়াও ইউটিউব এবং বিভিন্ন ফ্রি টিউটোরিয়াল দেখে নতুন কৌশল শিখতে পারেন।
উপসংহার
বর্তমানে মোবাইল দিয়ে প্রফেশনাল মানের ভিডিও তৈরি করা সম্ভব। এর জন্য শুধু একটি ভালো ভিডিও এডিটিং অ্যাপস নিয়মিত অনুশীলন এবং সঠিক কৌশল জানা প্রয়োজন। সূর্য ছোট ছোট ভিডিও তৈরি গরম ধীরে ধীরে নতুন ফিচার সেগুন এবং নিজের দক্ষতা বাড়ান। নিয়মিত চর্চা করলে আপনি মোবাইল দিয়ে আকর্ষণীয় ও মানসম্মত ভিডিও এডিট করতে পারবেন।

ব্লগ বাজারে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url