ইতালি ওয়ার্ক ভিসা আবেদন করার নিয়ম
ইতালি ওয়ার্ক ভিসা আবেদন করার জন্য কোন প্রকার দালাল কিংবা এজেন্সিকে এক টাকা না দিয়ে স্বল্প সময়ে সরকারিভাবে আবেদন করবেন স্বল্প খরচে বাংলাদেশ থেকে সরাসরি ইতালি যেতে চান সে ক্ষেত্রে আজকের পোস্টটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
কেননা ডেক্রেট ফুল ২০২৬ ২৭ তথা ইতালি গভর্নমেন্ট খসড়া নীতিমালা অনুযায়ী তারা ২০২৬ ও ২০২৭ অর্থবছরের মধ্যে সারা পৃথিবীর প্রায় এক লক্ষ 65 হাজার এর বেশি দক্ষ শ্রমিকদের সিজনাল ও ননসোনাল এবং স্বনির্ভর কোটার মাধ্যমে ইতালিতে বৈধভাবে কাজ এবং বসবাসের সুযোগ করে দিতে চলেছে।
সূচী পত্রঃ ইতালি ওয়ার্ক ভিসা আবেদন করার নিয়ম
- ভিসার কোটা নির্ধারণ করা
- নন সিজনাল ওয়ার্কার মাতলি সেলারি
- ইতালিয়ান কোম্পানি থেকে নন সিজনাল জব অফার
- ইতালিয়ান কোম্পানির দায়িত্ব (পরবর্তী সব আইনি প্রক্রিয়া)
- বাংলাদেশ থেকে আপনার চূড়ান্ত কাজ (দূতাবাস আপ এয়েন্টমেন ও যাত্রা)
- ইতালির পৌঁছানোর পর রেসিডেন্ট সাবমিট ফি
ভিসার কোটা নির্ধারণ করা
এই ভিসাটির কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৮ হাজার। এই নন সিজনাল ওয়ার্ক পারমিট ভিসার সব থেকে বড় বিশেষত্ব এ এ ভিসায় আপনি আপনার ফ্যামিলিকে আজ এ ডিপেন্ডমেন্ট আপনার সাথে ইতালি নিয়ে যেতে পারবেন। এবং পাঁচ বছর সেখানে বসবাস করা পরক্ষণে সহ পরিবার ও একত্রে আবেদন করতে পারবেন ইতালিয়ান পাসপোর্ট এর জন্য। হাই ডিমান্ড জবস অনুযায়ী ননসৃজনাল ওয়ারকার হিসেবে।
আপনি তাইলে যাওয়ার জন্য আপনার কর্মদক্ষতা যদি হয়ে থাকে কনস্ট্রাকশন ব্যাকগ্রাউন্ডের কিংবা আপনার কর্মদক্ষ তা যদি হয়ে থাকে হোটেল ইন্ডাস্ট্রি থেকে সে ক্ষেত্রে আপনার জন্য অপচন্ডী রয়েছে আপনিই যদি ক্লিনার হাউসকিপার কিংবা ফোক লিভ অপারেটর অথবা ওয়ার হাউস কুইক প্যাকেজার কিংবা ফ্যাক্টরি ওয়ার্কার হয়ে থাকেন আপনার জন্য কবর অপরচুনিটি রয়েছে। আপনি যেকোন বিষয়ের উপর যদি দক্ষ হয়ে থাকেন আপনার জন্য অপরচুনিটি রয়েছে।
নন সিজনাল ওয়ার্কার মাতলি সেলারি
আপনি যদি একজন নন সিজনাল ওয়ার্কার হিসেবে আপনি যদি কন্ট্রাকশন ব্যাকগ্রাউন্ড সে কত্রে আপনার স্যালারি পড়বে মাতলি ১৩০০ ডলার ইউরো থেকে ১৭০০ ডলার ইউরো অর্থাৎ বাংলাদেশি টাকায় এক লক্ষ 69 হাজার থেকে ২ লক্ষ ২১ হাজার পর্যন্ত। এবং কি ড্রাইভিং এর জন্য রয়েছে ২ লক্ষ ৩৮ হাজার থেকে ৩৫০০০ টাকা পর্যন্ত মাতলি সেলারি। কারখানা মেটাল মেকানিক্স কর্মী জন্য রয়েছে ১৪০০ ডলার ইউরো থেকে ২৮০০ ডলার ইউরো অর্থাৎ বাংলাদেশি টাকায় ১ লক্ষ ৮২ হাজার থেকে ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত।
আর পড়ুনঃ অনলাইনে ইসলামী ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম
জাহাজ নির্মাণ শিল্প টেকনিশিয়াল কর্মীদের জন্য রয়েছে, মাতলি ১৪০০ ডলার ইউরো অর্থাৎ এক লক্ষ ৮২ হাজার থেকে ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত বাংলাদেশি টাকায়। লজিস্টিকস ওয়ারহাউজ অপারেটর এর মাগলে বেতন ১ লক্ষ ৬২ হাজার থেকে ২ লক্ষ ৮ হাজার পর্যন্ত ইতালির নন সিজনাল কর্মীর বেতন সমূহ। এগুলো আপনার স্টাটিং স্যালারি ইতালিতে।
ইতালিয়ান কোম্পানি থেকে নন সিজনাল জব অফার
2017 সালের মধ্যে ইতালি স্থায়ীভাবে যাওয়ার জন্য আপনার সবচেয়ে প্রথম এবং প্রধান কাজ হল একটি বৈধ ইতালিয়ান কোম্পানি বা নিয়োগ কর্তার কাজকে একটি ভ্যারির দীর্ঘমেয়াদি নন সিজনাল জব অফার লেটার ম্যানেজ করা।
সিভি ও কভার লেটার আন্তর্জাতিকঃ বাই ইউরো পাস ফর্মতে নিজের কাজের নিখুজ্জ যোগ্যতা দিয়ে প্রফেশনাল সিভি এবং কভার লেটার প্রস্তুত রাখা।
খ্যাত নির্ধারণঃ আপনার কাজের ক্ষেত্রে অনুযায়ী যেমন কন্ট্রাকশন নির্মাণ শ্রমিক, ভারী লরির, ট্রাক ড্রাইভিং, জাহাজ শিল্প, মেকানিক্স বা ফ্যাক্টরি, উৎপাদন খ্যাতের সঠিক নিয়ম কর্তার সাথে যোগাযোগ নিঃসৃত করা।
ইতালিয়ান কোম্পানির দায়িত্ব (পরবর্তী সব আইনি প্রক্রিয়া)
আপনি যাবার লেটার পেয়ে যাওয়ার পর, আপনার নিজের আর কোন কাজ থাকবে না। পরবর্তী সমস্ত আইনি প্রক্রিতে বসে কোম্পানি বা নিয়োগ কর্তা সম্পন্ন করবেন।
শ্রম বাজার যাচাই (CPI) কোম্পানিতে ইতালির স্থায়ী শ্রম মন্ত্রণালয় আবেদন করে নিশ্চিত করবে যে এই পদের জন্য সেখানে কোন কর্মী খালি নেই।
ক্লিক ডে ও সরকারি সাব মিশন ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পোর্টালের নির্দিষ্ট ক্লিক ডে তে আপনার সমস্ত নথিপথ অনলাইনে সাবমিট করা হবে।
আর পড়ুনঃ অনলাইনে পাসপোর্ট আবেদন করতে কি কি লাগে
নলা উস্তা(Nulla Osta) সরকারি যাচাই-বাছাই শেষে ইতালি ইমিগ্রেশন অফিস থেকে যখন আপনার অফিসিয়াল ওয়ার্ক পারমিট বা নুলা ওস্তা অনুমোদিত হবে তখন কোম্পানি সেটির ডিজিটাল মাধ্যমে আপনার কাছে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিবে।
বাংলাদেশ থেকে আপনার চূড়ান্ত কাজ (দূতাবাস আপ এয়েন্টমেন ও যাত্রা)
কোম্পানি থেকে নুলা ওস্তা পাওয়ার পর দায়িত্ব আবার আপনার। এবার বাংলাদেশ থেকে আপনার শেষ ধাপের কাজগুলো সম্পন্ন করতে হবে।
ডকুমেন্ট প্রস্তুত অনুবাদ আপনার পুলিশ কিয়ারেন সার্টিফিকেট সহ প্রয়োজনীয় নোটিসমূহ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়ন এবং ইতালিয়ান ভাষায় অনুবাদ করানো।
তোতা বাসো আবেইনমেন্ট বায়োমেটিক্স ঢাকায় ভিএস গ্লোবালের মাধ্যমে ইতালিয়ান দূতাবাসের আপয়েট্ন্টমেন্ট নেওয়া নদী পথ জমা দেওয়া এবং আঙ্গুলের ছাপ বায়োমেট্রিকস প্রদান করা।
ভিসা ও ফ্লাইট পাসপোর্ট টু পাসপোর্ট অফিসিয়াল ওয়ার্ক ভিসা স্টাপিং হয়ে গেলে বিএমটি স্মার্টকার্ড সহ সংগ্রহ করা এবং বিমান ওয়ান ওয়ে টিকিট কেটে ইতালির উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া।
আর পড়ুনঃ সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশের ইসলামী ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম
এবং ভিসার জন্য যে কাজগুলো করতে হয় রক্ত পরীক্ষা মেডিকেল চেকআপ সমস্ত কিছু করার পর পাসপোর্ট থেকে শুরু করে ইতালি পেছনে পর্যন্ত সবরমুর এক লক্ষ 37000 খরচ হবে।
ইতালির পৌঁছানোর পর রেসিডেন্ট সাবমিট ফি
ইতালির নাম্বার পর আইনি রেস্টুরেন্ট কার শাসন রাখার জন্য স্থায়ী পোস্ট অফিসে জমাদার খরচ সমূহ
- পোস্ট অফিস কি ফ্রম সাবমিশন ফ্রি ৩০ ইউরো (বাংলাদেশী টাকায় অনুমানিক তিন হাজার 900 টাকা)
- ইলেকট্রনিক রেসিডেন্স পারমিট কার্ড প্রিন্টিং ফ্রী ৭০.৪৬ ইউর (আনুমানিক ৯১৫০ টাকা)
- আবেদনের রেভিডেন্স স্টাম্পস ১৬ ইউরো (বাংলাদেশী আনুমানিক ২০০০ টাকা)
- ইতালি অভ্যন্তরীণ আইনি খরচ সর্বম োট ১১৬ ইউরো আনুমানিক ১৫ হাজার টাকা খরচ হবে।
শেষ বক্তব্যঃ
আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই শেষের দূতাবাস ভিসা হিসু করলে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে। ভিসা পাওয়ার পর ছয় মাসের মধ্যে আপনাকে ইতালি পৌঁছাতে হবে। ইতালি বসানোর পর আট দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রিপেডচার এগিয়ে রেসিডেন্স পারমিট এর জন্য আবেদন করতে হবে।

ব্লগ বাজারে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url