CV লেখার সম্পূর্ণ নিয়ম
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে চাকরি জীবনে অনেক ক্ষেত্রেই সিভি বা জীবন বৃত্তান্ত তাকে জরুরী এক বিষয়। বেসরকারি চাকরির ক্ষেত্রে এটি গুরুত্ব সবথেকে বেশি। বাংলাদেশের চাকরির যে পরিমাণ চাইলে তার তো অনেক চাকরির খাত অনেক কম । এজন্য বেশ ভালো রকমের প্রতিযোগিতা করে একজনকে চাকরি পেতে হয়। এক্ষেত্রে একটি মানসম্মত সিভি প্রতিযোগিতায় আপনাকে অনেক এগিয়ে রাখতে পারে।
প্রথম দেখাতে যদি সিভিটা আপনার এমপ্লয়ী এর পছন্দ না হয়, আপনার ইন্টারভিউ এর জন্য ডাক পাওয়ার সুযোগ খুবই কম। অনেকদিন এই ছবিটা পছন্দ না হলে সেটিকে রিজেক্ট করে দেয়। এত বলা যায় এটি মান সম্মত ছবি আপনার চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কাঁদছে বাড়িয়ে দেয় ।
সূচিপত্রঃ CV লেখার সম্পূর্ণ নিয়ম
সিভি কি (what is curriculum vita)
সিভি বা কারিকুলাম ভিক্টরস হচ্ছে একজন ব্যক্তির শিক্ষা চাকরির জীবনে বিভিন্ন কর্মকান্ড সারাংশ। এটি সাধারণত দুই পাতা হয়ে থাকে এবং এটি মূলত চাকরির খেতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে । এবং এটি মূলত চাকরির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়ে থাকে বর্তমানে অন্যান্য ক্ষেত্রে শিবির ব্যবহার বেড়ে চলেছে। যেহেতু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অফিসিয়াল ভাষা ইংরেজি, তাই এটি সাধারণত ইংরেজিতে লেখা হয়ে থাকে। তবে কিছু ক্ষেত্রে বাড়াতে লেখা হয়ে থাকে।
সিভি ( CV ) তে কি কি থাকা উচিত
চাকরির সিভির জন্য পরিবর্তনশীল। সেগুলো নিজের মতো করে প্রয়োজন অনুযায় লিখতে হবে কিন্তু কিছু কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলো আবর্তনশীল প্রত্যেকটা শিবির ক্ষেত্রেই। এই সকল বিষয় বিবেচনা করে একটি সিভিতে কি কি থাকা উচিত ,তার নিচে দেওয়া হল ।
আরো পড়ুনঃ
Passiv income ideas বাংলাদেশ ২০২৬
- নাম ও ঠিকানা
- ক্যারিয়ারের উদ্দেশ্যে
- কাজের অভিজ্ঞতা
- শিক্ষাগত যোগ্যতা
- কম্পিউটার দক্ষতা
- ভাষাগত দক্ষতা
- অন্যান্য দক্ষতা
- রেফারেন্স
- ছবি সংযোজন
- স্বাক্ষর ওতারিখ
বর্তমানে সিভির ফরমেট কেমন হওয়া উচিত
সিবি হচ্ছে এমন একটা ডকুমেন্টস যা দেখে খুব কম সময় আপনার এমপ্লয়ার আপনাকে মূল্যায়ন করবে। তাই এক্ষেত্রে প্রতিটি অংশে আপনাকে স্মার্টনেস দেখাতে হবে। শিবের ফরমেট খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। চলুন দেখে নেওয়া যাক বর্তমান একটি শিবির ফরমেট কেমন হওয়া উচিত ।
শিবির দৈর্ঘ্য
এক্ষেত্রে একটু ধারণা আমরা আগে দিয়েছি, যেভাবেই হোক দুই পৃষ্ঠার মধ্যে শেষ করতে হবে আপনার সিভি। অনেক কম সংখ্যক শব্দ ও কথায় অনেক বেশি কিছু প্রকাশ করা যায় যত দ্রুত সম্ভব সংক্ষেপে আপনার সকল তথ্য উল্লেখ করতে হবে এখানে।
আরো পড়ুনঃ অনলাইনে ইসলামী ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম
কাগজ সাইজ
আপনার পোস্ট অফিস ও অনলাইন পিডিএফ এ মাধ্যমে সিভি পাঠান না কেন আপনাকে a4 পে জ এসিভিটি লিখতে হবে। এক্ষেত্রে শিবের চারপাশে মার্জনের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে জায়গাটা রাখবেন।
ফ্রন্ট
সিভিটি ফর্মাল রাখার জন্য আপনি কালা বাড়ি আড়িয়াল বা টাইম নিউ ভ্রমন এই তিনটি ফান্ডের একটা ব্যবহার করতে পারেন ফান্ডের সাইজ ১০ থেকে ১২ এর মধ্যে রাখবেন। হেডলাইনের ক্ষেত্রে ১০ বার ১৬ সাইজের ফোন ব্যবহার করে সেটাকে বোল্ড করে দিতে পারেন।
সিভি লেখার নিয়ম
বর্তমানে সিভিল লেখা আগেই থেকে অনেক সহজ হয়ে গেছে। অনেক নতুন নতুন পদ্ধতি এসেছে যার মাধ্যমে খুব কম সময়ের মধ্যে আপনি পরিপূর্ণ একটি সিভি বানিয়ে ফেলতে পারেন।
এমএস ওয়ার্ড (মাইক্রোসফট ওয়ার্ল্ড )এর মাধ্যমে নিজের তৈরি করা
আপনি যদি পুরোপুরি নিজে কিছুই বানাতে চান, সে ক্ষেত্রে এম এস ওয়ার্ড সব থেকে ভালো মাধ্যম হতে পারে আপনার জন্য।। বাই ডিফল্ট কিছু ফরমেট এম এস ওয়ার্ডে দেওয়া থাকে। তাদের মধ্যে থেকে একটা নিয়ে ব্যবহার করতে পারেন আপনি। অথবা নিজে নিজে ফরম্যাট বানিয়ে সেটি দিয়ে আপনার সিভি বানাতে পারেন, এর পাশাপাশি এখন পাওয়ার পয়েন্ট (Ms power point) এই সিভি বানানো যায় এখানে বিভিন্ন সেপ ব্যবহার করে একটি চমৎকার বানিয়ে ফেলতে পারেন।
আরো পড়ুনঃ
Canva দিয়ে ভালো ডিজাইন
সিভি বিল্ডিং ওয়েব সাইট ( CV -building website) থেকে বানানো
বর্তমানে অনেক বিল্ডিং ওয়েবসাইট রয়েছে যারা ফ্রিতে সি বানানোর সার্ভিস দিয়ে আসছে। এগুলো গুগলের সার্চ করলে এরকম মনে কেউ চাকরি যাবেন পছন্দ মতো একটি ওয়েবসাইট থেকে খুব সহজে একটি মানসম্মত সিভি বানিয়ে ফেলতে পারেন।
শেষ বক্তব্য
বর্তমানে চাকরির দুনিয়ায় একটি সিভি অতীত জরুরী একটি ডকুমেন্ট যা আপনাকে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে বেশি সাহায্য করতে পারে। তাই বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকে সকলের উচিত সিভি বানানো শিখে রাখা। এই পোস্টটিতে আমরা একটি সিভি লেখার নিয়ম সম্পর্কে অধ্যাপ্রান্ত আলোচনা করেছি। আশা করি লেখাটি আপনার শ্রী লেখার বিষয় জ্ঞান বুদ্ধিতে অনেক আংশিক সহায়তা করেছে। এছাড়া বিষয়ের যে কোন জিজ্ঞাসা থাকলে কমেন্ট বক্সে জানাতে ভুলবেন না ।

ব্লগ বাজারে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url