ডলার রিসিভ করার জন্য payoneer অ্যাকাউন্ট কিভাবে খুলবো
( payoneer) একটি বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ।যার সদর দপ্তর নিউ ইয়ার যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত ।২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কোম্পানিটি বর্তমানে ২০০ টির বেশি দেশে তাদের পরিষেবা দিয়ে আসছে ।এবং ফ্রিল্যান্সার ও আন্তর্জাতিক ব্যবসার জন্য অন্যতম যৌন প্রিয় পেমেন্ট সিস্টেম হিসেবে পরিচিতি ।
বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সার অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার ই-কমার্স বিক্রেতা এবং ডিজিটাল
উদ্যোক্তার জন্য payonee কি কিr একটি অপরিহার্য সেবা আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেস
থেকে খুব সহজে নিরাপদে পেমেন্ট গ্রহণ করা যায়।
সূচিপত্রঃ ডলার রিসিভ করার জন্য payoneer অ্যাকাউন্ট কিভাবে খুলবো
- payoneer প্রধান সুবিধাগুলো
- payoneer প্রধান সুবিধা
- payoneer একাউন্ট খুলতে কি কি প্রয়োজন
- প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট
- payoneer বিজনেস একাউন্টের জন্য অতিরিক্ত
- payoneer অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম
- ব্যক্তিগত তথ্য পূরণ করুন
- নিরাপত্তা তথ্য সেটআপ করুন
- ব্যাংক একাউন্ট যুক্ত করুন
- বিকাশ অ্যাপ দিয়ে পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট খোলার পদ্ধতি
- payoneer থেকে টাকা তোলার পদ্ধতি
- payoneer বাংলাদেশে কি কার্ড পাওয়া যায়
১ payoneer প্রধান সুবিধাগুলো
বিশ্বের বিভিন্ন মুদ্রা যেমন-USD , EUR,GBP,CAD ইত্যাদি পেমেন্ট গ্রহণ করা
যায়। উপার্জিত অর্থ সরাসরি নিজের বাংলাদেশী ব্যাংক একাউন্টে তোলা যায়। বিকাশ এর
সাথে পার্টনারশিপ থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে টাকা বিকাশ একাউন্টে
আনা সম্ভব।
২ payoneer প্রধান সুবিধা
payoneer mastercard ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে বিশ্বের যে কোন দেশের মাস্টার
কার্ড সাপোর্ট এটিএম থেকে নগদ টাকা তোলা যায় । একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ
বিনামূল্যে। একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ লেনদেন করলে বার্ষিক মওকুফ
থাকে।কোনোথায় নিষ্ক্রিয় একাউন্টের জন্য $29.95 চার্জ প্রযোজ্য হয়।
আর পড়ুনঃShopipyস্টোরে প্রোডাক্ট যোগ করার নিয়ম
৩ payoneer একাউন্ট খুলতে কি কি প্রয়োজন
পূর্ণ নামঃ জাতীয় পরিচয় পত্র:( NID )পাসপোর্ট অনুযায়ী নামের বানান হুবহু হতে হবে।
জন্ম তারিখঃ NID বা পাসপোর্ট অনুযায়ী নির্ভুলভাবে দিতে হবে।
সম্পূর্ণ ঠিকানাঃ আপনার বর্তমান ঠিকানা জেলা পোস্টে উল্লেখ করতে হবে।
মোবাইল নম্বর ও ইমেইলঃ একটি সংক্রিয় মোবাইল নম্বর এবং ইমেইল ঠিকানা প্রয়োজন হবে
যা ভেরিফিকেশনের জন্য ব্যবহৃত হবে।
৪ প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট
জাতীয় পরিচয় পত্র NID কার্ডের সামনে এবং পিছনে অংশের রঙিন স্পষ্ট ছবি বিকল্প। হিসেবে পাসপোর্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যবহার করা যাবে। কিছু ক্ষেত্রে ঠিকানা যাচাই এর জন্য সাম্প্রতিক কোন ইউটিলিটি বিলের কপি এবং ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর প্রয়োজন হতে পারে।
৫ payoneer বিজনেস একাউন্টের জন্য অতিরিক্ত
payoneer বিজনেস একাউন্টের জন্য অতিরিক্ত ট্রেড লাইসেন্স বা কোম্পানি
রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট ব্যবসার ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন( TIN ) নম্বর প্রয়োজন
হবে।
আর পড়ুনঃ চীনের প্রোডাক্ট বাংলাদেশে আমদানি করার নিয়ম
৬ payoneer অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম
payoneer ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন । আপনার ব্রাউজার থেকে payoneer.com
ওয়েব সাইটে যান এবংGet Stered বা sign up বাটনে ক্লিক করুন। আপনার
প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক অপশনটি বেছে নিন । সাধারণত ফ্রিল্যান্সার বা ছোট ব্যবসার
জন্য freelancer /SMB অপশনটি নির্বাচন করতে হয় ।এরপর Get paid by
internanional clients or marketplaces অপশনটি সিলেক্ট করুন । সর্বশেষে
রেজিস্ট্রেশন এইভাবে আপনার বাংলাদেশী ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য যেমন ব্যাংকের নাম
শাখার নাম এবং অ্যাকাউন্ট নম্বর যোগ করুন অবশ্যই মনে রাখবেন ব্যাংকের একাউন্টের
মালিকের নাম এবং ট্রেইনার একাউন্টের নাম একই হতে হবেবাটনে ক্লিক করুন।
৭ ব্যক্তিগত তথ্য পূরণ করুন
এখানে Individual ব্যক্তিগত অপশনটা সিলেক্ট করুন এবং আপনার জাতীয় পরিচয়
পত্র NID অনুযায়ী সঠিক নাম ইমেইল জন্মতারিখ কোন ভুল তথ্য দিলে পরবর্তীতে
অ্যাকাউন্টে ভেরিফিকেশন সমস্যা হতে পারে। আপনার দেশ হিসেবে বাংলাদেশ নির্বাচন
করুন ।এবং বর্তমান ঠিকানা সহ পোস্ট কোডসহ লিখুন।এরপর আপনার মোবাইল নম্বর দিন কারণ
ভেরিফিকেশনের জন্য একটি ওটিপি ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড পাঠানো হবে।
৮ নিরাপত্তা তথ্য সেটআপ করুন
আপনার একাউন্টের সুরক্ষার জন্য একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি করুন । বড় হাতের
অক্ষর , ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা ও চিহ্ন ব্যবহার করে এরপর একটি নিরাপত্তা প্রশ্ন
ও উত্তর সেট করুন। যা ভবিষ্যতে একাউন্ট রিকভারির জন্য প্রয়োজন হতে পারে।
আর পড়ুনঃ জেলা ভূমি রেকর্ড খতিয়ান দেখার পদ্ধতি
৯ ব্যাংক একাউন্ট যুক্ত করুন
এই ধাপে আপনার বাংলাদেশী ব্যাংক একাউন্টের তথ্য যেমন ব্যাংকের নাম, শাখার না্
এবং একাউন্ট নম্বর দিয়ে যোগ করুন অবশ্যই মনে রাখবেন ব্যাংক একাউন্টের মালিকের
নাম এবং পেনার একাউন্টের নাম একই হতে হবে।
১০ বিকাশ অ্যাপ দিয়ে পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট খোলার পদ্ধতি
বাংলাদেশি পেনিয়ার ব্যবহারকারীদের জন্য সবচেয়ে বড় সুবিধা হল বিকাশের সাথে সরাসরি পার্টনারশিপ আপনি এখন ব্যাংক একাউন্ট ছাড়াই বিকাশ অ্যাপ এর মাধ্যমে payoneerএকাউন্ট খুলতে পারবেন। আপনার বিকাশ অ্যাপ এ লগইন করে " more" বা "আরো :অপশন থেকে রেমিটেন্স আইকন ট্যাপ করুন। payoneer অপশনটি বেছে নিন।
আর পড়ুনঃ বাংলাদেশের ড্রপ শিপিং বিজনেস শুরু করার সম্পূর্ণ গাইড
১১ payoneer থেকে টাকা তোলার পদ্ধতি
আপনার payoneer ড্যাশবোর্ড লগইন করে witdraw& transfer থেকে witdraw to bank অপশন সিলেক্ট করুন। টাকার পরিমাণ এবং কোন কারেন্সি থেকে উইড্রো করতে চান তাহলে করে কনফার্ম করুন। সাধারণত ১ থেকে ৩ কার্য দিবসের মধ্যে টাকা আপনার ব্যাংকে জমা হয়ে যায়। এক্ষেত্রে পিয়োনিয়ার প্রাইস 2% পর্যন্ত ফ্রি এবং কারেন্সি কনভার্ট চার্জ কেটে নেয়।
১২ payoneer বাংলাদেশে কি কার্ড পাওয়া যায়
হ্যাঁ বাংলাদেশের ট্রেনের মাস্টার কার্ড পাওয়া যায় একাউন্ট ভেরিফিকেশন এবং
নির্দিষ্ট পরিমাণ লেনদেন সম্পূর্ণ হওয়ার পর কার্ডের জন্য আবেদন করা যায় সাধারণত
তিন থেকে চার সব চার সপ্তাহ মধ্যে পৌঁছে দেয়। পেয়ে নিয়ে আর বাংলাদেশ সম্পন্ন
এবং তাদের জন্য অর্থ গ্রহণের একটি জনপ্রিয় নির্ভরযোগ্য।
আর পড়ুনঃ অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সম্পূর্ণ গাইড
শেষ কথাঃ সঠিক তথ্য ও ডকুমেন্টস থাকলে বাংলাদেশ payoneer নিয়ে আর একাউন্ট খোলা এখন অত্যন্ত সহজ দ্রুত একটি প্রতিক্রিয়া । বিশেষ করে বিকাশের সাথে সরাসরি লেনদেন সুবিধা এদিকে ফ্রিল্যান্সার এবং অনলাইন উদ্যোক্তা দের জন্য আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
ব্লগ বাজারে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url